রবিবার, ১২ মে, ২০১৯

ফ্রি সফটওয়্যার মানে কি বুঝায়? ফ্রি সফটওয়্যার মানে আপনি কি বুঝেন???

মূল- Debian - What does free mean? | অনুবাদক- কবির নাইম

পাদটিকা- ফেব্রুয়ারি ১৯৯৮-এ একটি গোষ্ঠী "ফ্রি সফটওয়্যার" শব্দটাকে "ওপেন সোর্স সফটওয়্যার" দ্বারা প্রতিস্থাপিত করতে উঠেপড়ে লাগলো। এ পারিভাষিক বিতর্ক এর অভ্যন্তরীণ দার্শনিক মতবাদের পার্থক্যকেই প্রতিফলিত করে, কিন্তু সফটওয়্যার অনুমোদনপত্র বা সফটওয়্যার লাইসেন্সের জন্যে ব্যবহারিক আবশ্যিকতা ও নিবন্ধের বাকী অংশের সমস্ত আলোচনা ফ্রি সফটওয়্যার বা মুক্ত সফটওয়্যার এবং ওপেন সোর্স সফটওয়্যার বা উন্মুক্ত সফটওয়্যার দুটোর ক্ষেত্রে পার্থক্য না রেখেই করা হয়েছে। 
লিনাক্সের মাস্কট টাক্স পেঙ্গুইন, এখন স্বাধীনতার প্রতিক
ফ্রি সফটওয়্যার সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষ প্রথম যে ভুলটি করে তা হলো, তারা ফ্রি বা বিনামূল্যের সাথে ফ্রি সফটওয়্যার বা মুক্ত সফটওয়্যারকে গুলিয়ে ফেলে। তাদের কাছে ফ্রি মানে হচ্ছে নিখরচা, যেটা কিনতে কোন টাকা-পয়সার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু অভিধানের ২০ টা পৃথক অর্থের মধ্যে নিখরচা শুধু একটিমাত্র অর্থ। বাকী উনিশটা হচ্ছে স্বাধীনতা এবং সীমাবদ্ধতা না থাকা। আমরা যখন বলি ফ্রি সফটওয়্যার, তা স্বাধীনতার কথা বলে, মূল্য নয়।

যে সফটওয়্যারের জন্য অর্থ পরিশোধের প্রয়োজন পড়ে না, যে অর্থে যে সফটওয়্যার ফ্রি, আসলে ফ্রি না। আপনি এটি বিতরণে অপরাগ, এমনকি নিজের প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন সাধনেও অপরাগ। বিনামূল্যে লাইসেন্সকৃত সফটওয়্যার মূলত প্রচারণা কার্যের এক মোক্ষম অস্ত্র, যেটি এ সম্পর্কিত অন্য পণ্যের প্রচারণায় আর ছোট প্রতিযোগিকে বাজার থেকে তাড়ানোর জন্যে ব্যবহৃত হয়।

এ ধারণানুযায়ী, কোন সফটওয়্যার হয় এক ফ্রি অথবা ফ্রি নয়। কিন্তু বাস্তবজীবন এত সহজও নয়। যখন তারা কোন সফটওয়্যারকে ফ্রি বলে, মানুষ আসলে কি বুঝাতে চায়, তা বুঝতে হলে, সফটওয়্যার লাইসেন্সের দুনিয়ার আরেকটু গভীরে প্রবেশ করতে হবে।

কপিরাইটস বা স্বত্বাধিকার হলো নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে এর স্রষ্টার অধিকার সংরক্ষণের একটি পদ্ধতি। অধিকাংশ দেশেই, কেউ কোন সফটওয়্যার লিখামাত্রই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কপিরাইটের আওতায় চলে আসে। লাইসেন্স বা অনুমোদনপত্র হলো লেখকের পক্ষ থেকে তাদের সৃষ্টির ব্যবহারবিধি নির্ধারণের একটি পদ্ধতি(এক্ষেত্রে সফটওয়্যার)। এটা লেখকই সিদ্ধান্ত নিবে যে সে কতটুকু স্বাধীনতা অন্যদের তার সৃষ্টির উপর দিতে চায়। কপিরাইট সম্পর্কে আরও জানতে, https://www.copyrightoffice.gov.bd/ তে যান।

অবশ্যই, ভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিন্ন ভিন্ন লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়ে। সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো তাদের সম্পদ রক্ষার নামে শুধুমাত্র কম্পাইলকৃত কোড প্রকাশ করে (যা আমরা পড়তে পারি না) এবং সফটওয়্যার ব্যবহারের উপর কিছু নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেয়। অন্যদিকে ফ্রি সফটওয়্যার লেখকরা নিচের কিছু বিষয়ের সমন্বয়ের অন্বেষণে থাকে-

  • মালিকানাধীণ সফটওয়্যারে তাদের কোড ব্যবহারের অনুমোদন না দেয়া। যেহেতু তারা তাদের কোড সার্বজনীন ব্যবহারযোগ্য করে প্রকাশ করছে, তারা অন্যকে এটা চুরি করতে দিতে পারে না। এক্ষেত্রে, কোড ব্যবহারের বিষয়টা একটি ট্রাস্টের মত, আপনি ততক্ষণ পর্যন্তই এটি ব্যবহার করতে পারবেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি নিয়ম মানছেন।
  • কোডটির মালিকানার পরিচয় হারিয়ে যেতে না দেয়া। মানুষ তাদের কর্মে গর্বিত হয় এবং তারা চায় না অন্য কেউ এসে তাদের সৃষ্টি থেকে তাদের নাম মুছে ফেলুক বা দাবি করুক যে এটা তাদের সৃষ্টি।
  • সোর্স কোডের বিতরণ। মালিকানাধীন বা প্রোপ্রিয়েটি সফটওয়্যারে আরেকটি বড় সমস্যা হলো, আপনি এর বাগ ফিক্স করতে পারবে না, এবং পরিবর্তন করতে পারবেন না। করবেন কি করে, এর সোর্স কোডইতো নেই আপনার কাছে। একইসাথে কোম্পানি চায়লে আপনার ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারের জন্যে সমর্থন রহিত করতে পারে। অধিকাংশ ফ্রি লাইসেন্স সোর্স কোড বিতরণকে বাধ্যতামূলক করে। এটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী সোর্স কোড পরিবর্তনের সুযোগ দিয়ে তার অধিকার সংরক্ষণ করে।
  • কোন প্রকল্প তাদের প্রকল্পের কোন অংশ ব্যবহার করলে, তাকেও একই লাইসেন্স ব্যবহারে বাধ্য করা। অধিকাংশ লোক তাদের নিজস্ব লাইসেন্স লিখে থাকে। কিন্তু লাইসেন্সগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দূর্বল, সাংঘর্ষিক কথায় পূর্ন, যা কোর্টে দাঁড়ানোর যোগ্য না। তবে কিছু লাইসেন্স ইতোমধ্যেই লেখা আছে, যা হয়তো আপনার প্রয়োজন হতে পারে।

সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত হয় এমন কিছু লাইসেন্স হলো-

  • গ্নু জেনারেল পাবলিক লাইসেন্স।
  • আর্টিস্টিক লাইসেন্স।
  • বিএসডি স্টাইল লাইসেন্স।

এ লাইসেন্সগুলো কিছু বিষয় প্রায় একই।


  • আপনি এ সফটওয়্যারটি আপনার ইচ্ছা মোতাবেক যত বেশী যন্ত্রে ইচ্ছা ইন্সটল করতে পারবেন।
  • অনির্দিষ্ট সংখ্যক লোক যুগপৎ এটি ব্যবহার করতে পারবে।
  • আপনি সফটওয়্যার যত ইচ্ছা তত কপি তৈরি করতে পারবেন এবং যাকে ইচ্ছা তাকে দিতে পারবেন।
  • সফটওয়্যারটি মডিফাই করাতে কোন বিধিনিষেধ নেই( কিছু নির্দিষ্ট বিজ্ঞপ্তি পালটানো যাবে না)।
  • সফটওয়্যারটি বিতরণ, অথবা বিক্রিতে কোন বিধিনিষেধ নেই।
  • শেষ পয়েন্টটি সফটওয়্যারটিকে বিক্রির অনুমোদন দেয়। কেউ এটা একবার গ্রহণ করলে সে চায়লে এটি বিক্রিও করতে পারে। সাধারণত একটি সফটওয়্যারের নকল করতে কোন খরচ পড়ে না। বিক্রেতা চায়লে বড় ফাইলসমূহ কোন মাধ্যমে কপি করে বিক্রি করতে পারে, যেমন ইউএসবি স্টিকে বার্ন করা আর্চ লিনাক্স বিক্রি, সিডিতে বার্ন করা ডেবিয়ান ইত্যাদি।

ফ্রি সফটওয়্যার যদিও একেবারেই ফ্রি নয়, এটি ব্যবহারকারীকে এমন কিছু স্বাধীনতা দেয়, যা তাদের জন্যে সবসময়ই প্রয়োজন ছিলো। একই সময়, লেখকের স্বাধীনতা রক্ষায়ও তারা সচেষ্ট। এটাইতো স্বাধীনতা।

শনিবার, ১১ মে, ২০১৯

লিনাক্সের বছর ২০১৯

মূলঃ ক্রিস হফম্যান | অনুবাদঃ কবির নাঈম

রবার্ট ম্যাগিলব্রে/শাটারস্টোক

অবশেষে লিনাক্সেরও একটি বছর এলো!!! মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১০-এ থাকবে একটি সত্যিকারের লিনাক্স কার্নেল, এবং নতুন সব ক্রোমবুকে চলবে লিনাক্স অ্যাপলিকেশন। তার মানে দাঁড়ালো, ভবিষ্যতের অধিকাংশ ডেস্কটপেই একটি লিনাক্স কার্নেল অন্তর্ভূক্ত থাকবে এবং চলবে লিনাক্স সফটওয়্যার।

মাইক্রোসফট উইন্ডোজে বিল্ট-ইন লিনাক্স কার্নেল

ল্যারি এউইং

ট্র্যাডিশনাল গ্নু/লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন হয়তো হঠাৎ যাদুর মত পৃথিবী ছেয়ে ফেলবে না, কিন্তু লিনাক্স আগের যেকোন সময়ের চেয়ে বেশী জনপ্রিয়। মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১০ শীঘ্রই একটি বিল্ট-ইন লিনাক্স কার্নেলের সাথে আসবে। তার মানে এই না যে উইন্ডোজের এনটি কার্নেলের বদলে মাইক্রোসফট এখন থেকে লিনাক্স কার্নেল ব্যবহার করবে। বরঞ্চ তার মানে এই যে উইন্ডোজ সাবসিস্টেম ফর লিনাক্স ২ বা ডব্লিউএসএল ২-এর জন্যে ব্যবহৃত হবে মাইক্রোসফটের এ লিনাক্স কার্নেল, যার ফলে আগের চেয়ে বেশী লিনাক্স অ্যাপলিকেশন চলবে উইন্ডোজে।

উইন্ডোজ সাবসিস্টেম ফর লিনাক্স ১ যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল, কিন্তু লিনাক্স সফটওয়্যার চালাতে দ্বারস্থ হতে হতো ইম্যুলেশনের, ফলস্বরূপ, তুলনামূলক জটিলতর লিনাক্স অ্যাপলিকেশনগুলো চলতো না সেখানে। যে দলে আছে, ডকারও। তবে আশা করা যাচ্ছে, সংস্করণ ২ হবে আরও বেশী শক্তিশালী, যেহেতু লিনাক্স সফটওয়্যার চলবে সত্যিকারের লিনাক্স কার্নেলে।

গ্রাফিক্যাল লিনাক্স অ্যাপলিকেশন চালানোর ব্যবস্থা আছে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ১০-এ। আউট-অব-দ্যা বক্স মাইক্রোসফট এ সেবাটি যদিও বন্ধ করে রাখে, একটি থার্ড-পার্টি এক্স-সার্ভার ইন্সটল করেই সহজে ব্যবহারকারী এটি সক্রিয় করতে পারবেন। ডব্লিউএসএল ২-এর অধীনে আরও বেশী গ্রাফিক্যাল অ্যাপলিকেশন আরও ভালভাবে কাজ করার কথা।

কমান্ড-লাইন সফটওয়্যারের জন্যে মাইক্রোসফট সাথে নিয়ে আসছে সুন্দর উইন্ডোজ টার্মিনাল অ্যাপ।

ভবিষ্যতের সমস্ত ক্রোমবুকে চলবে লিনাক্স অ্যাপ


ক্রোমবুক সবসময়ই লিনাক্স কার্নেল ব্যবহার করে এসেছে। এমনকি ক্রোমওএস মূলত একটি জেন্টু ডেরাভেটিভ। কিন্তু লিনাক্স অ্যাপলিকেশন চালাতে ক্রুটনের মত অনেক ঝামেলা পোহাতে হতো। কিছু ক্রোমবুকে লিনাক্স অ্যাপলিকেশন সমর্থন যোগ করে গুগল এ সমস্যাটির একটি ইতি টানছে।

গুগল আই/ও ২০১৯, গুগল ঘোষণা দিলো যে ভবিষ্যতের ক্রোমবুকগুলোর সবগুলোতেই থাকবে লিনাক্স অ্যাপলিকেশন সমর্থন। ক্রোম ওএস অপারেটিং সিস্টেম সবসময় লিনাক্স ভিত্তিকই হয়ে এসেছে, কিন্তু এখন তারা লিনাক্স সফটওয়্যারও চালাতে পারবে, তা এবার কমান্ড-লাইন প্রোগ্রাম যেমন ভিম বা এমওসিপি হোক বা গ্রাফিক্যাল প্রোগ্রাম যেমন ক্রিটা বা গিম্প হোক। ক্রোম ওএসের স্ট্যান্ডার্ড নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের বিঘ্ন না ঘটিয়েই চলবে ফায়ারফক্সের মত থার্ড পার্টি ওয়েব ব্রাউজারও।

এমনকি লিনাক্সে স্রষ্টা লিনুস তোরভালদও ক্রোমবুকে লিনাক্সের ভবিষ্যৎ দেখতে পান, মনে হচ্ছে ক্রোমবুক ও অ্যানড্রয়েডই ডেস্কটপের দিকে আমাদের রাস্তা। তিনি এও জানান কয়েক বছর পর উনি নিজেই হয়তো ক্রোমবুক ব্যবহার করবেন।

অধিকাংশ ডেস্কটপ ও ল্যাপটপে চলবে লিনাক্স সফটওয়্যার। যে উইন্ডোজ পিসি বা ক্রোমবুক আপনি নিবেন হয়তো সেখানে চলছে কোন লিনাক্স কার্নেল এবং চলবে লিনাক্স সফটওয়্যারও। হ্যাঁ, তারা হয়তো, গ্নোমের মত লিনাক্স ডেস্কটপ অন্তর্ভূক্ত করে না, প্রাথমিক ডেস্কটপ এখনও ক্রোম বা উইন্ডোজই, কিন্তু আপনি চায়লেই এখন যেকোন লিনাক্স সফটওয়্যার এখানেই ইন্সটল করতে পারছেন। আপনাকে লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন ইন্সটল করার প্রয়োজন পড়বে না এবং হার্ডওয়্যার সমর্থনের মত ইশুগুলো  নিয়েও খুব বেশী ভাবার প্রয়োজন পড়বে না।

অ্যাপলের ম্যাকওএস অবশ্য এসবের মাঝেও লিনাক্স কার্নেল সহ আসবে না। কিন্তু ম্যাক ওএস ইউনিক্স-সদৃশ অপারেটিং সিস্টেম। একটু পরিবর্তনের মাধ্যমেই লিনাক্স সফটওয়্যার এখনই ম্যাকওএসে চলে। এই এক কারণেই অনেক ডেভেলপার মাইক্রোসফট উইন্ডোজ থেকে ম্যাক ওএসের দিকে ছুটছে। এ ছোটা বন্ধ করতেই হয়তো মাইক্রোসফটের এ সিদ্ধান্ত।

রবিবার, ৫ মে, ২০১৯

চার্লস ডেক্সটারের উইয়ার্ড কেস

তার জগতে লাভক্রাফট
চার্লস ডেক্সটার নামের মিস্টার ওয়ার্ডের একমাত্র ছেলে হঠাৎ করে কোন জাদুবলে একদম পালটে যায়। সে রহস্যের কুল ধরতে গিয়ে আমরা প্রবেশ করি এইচপি লাভক্রাফটের অদ্ভুত সাহিত্যজগতে। উইয়ার্ড নভেল নামে এক জনরারই পিতা এ ভদ্রলোক এসে পালটে দেন, ভীতির গল্প বলার ধরণ ও সে গল্পের চরিত্র ও উপাদান। প্রথম বয়সে অ্যাডগার অ্যালেন পো দ্বারা গভীর প্রভাবিত হলেও নিজের জায়গায় তিনি ছাড়িয়ে যান পোকেও। স্টিফেন কিং সহ অনেকেই পরবর্তীতে এইচপি লাভক্রাফট বা হাওয়ার্ড ফিলিপস লাভক্রাফট নামের এক আর্থিক সাফল্য ও সাহিত্য খ্যাতি না পেয়ে চলে যাওয়া মানুষটির দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন। 

কেস অব চার্লস ডেক্সটার ওয়ার্ড লাভক্রাফটের নিজের মতে তার সবচেয়ে বাজে সৃষ্টি, যেটা প্রকাশেও ছিলো তার দারুণ অনীহা। আবার এ ছোট উপন্যাসিকাকেই তার সেরা সৃষ্টি বলে অভিহিত করেছেন অনেক সাহিত্যিক। যাদের অলীক কল্পকাহীনির সাথে হালকা বিজ্ঞান, ও অনেক সাসপেন্স ভাল লাগে, তারা পড়ে দেখতে পারেন।
The Case of Charles Dexter Wardদ্যা কেস অব চার্লস ডেক্সটার ওয়ার্ড, এইচপি লাভক্রাফট
আমার রেটিং: ৫ স্টারে ৪ স্টার

চার্লস ডেক্সটার নামের মিস্টার ওয়ার্ডের একমাত্র ছেলে হঠাৎ করে কোন জাদুবলে একদম পালটে ... তারা পড়ে দেখতে পারেন।

আমার অন্যান্য পর্যালোচনাসমূহ